সংক্ষিপ্ত বিবরণ

বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি চারুকলা ভবনের মিলনায়তন বলতে উক্ত ভবনের ৩য় তলায় অবস্থিত ৩০০ আসন বিশিষ্ট (শীততপ নিয়ন্ত্রিত) হলরুম বুঝাবে।মিলনায়তনটি চারুকলা, ফটোগ্রাফী, আবৃত্তি, চলচ্চিত্র, চলচ্চিত্র বিষয়ক সেমিনার, সিম্পোজিয়াম, কর্মশালা এবং এতদসংক্রান্ত অনুষ্ঠান করার জন্য ব্যবহার করা যাবে। মিলনায়তন ব্যবহারের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি নিজস্ব অনুষ্ঠান করার জন্য অগ্রাধিকার থাকবে

১. আলোচনার টেবিল
২. চেয়ার (মঞ্চে অতিথিদের আসন গ্রহণের জন্য)
৩. আলোক ও শব্দ ব্যবস্থা
৪. মাইক্রোফোন
৫. আসন ব্যবস্থা
৬. রোস্ট্রাম (বক্তৃতার জন্য)
৭. একাডেমি কর্তৃক নিয়োজিত প্রয়োজনীয় জনবল।
৮. মিলনায়তনের দর্শক লাউঞ্জ।
৯. ব্যাক স্টেজ স্পেস।
১০. কেন্দ্রীয়ভাবে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা।

পর্যবেক্ষন

পরিচালনা

অবস্থান

add a google map to your website

১. উদ্দেশ্য :

১.১. নিম্নোক্ত উদ্দেশ্য অর্জনের লক্ষ্যে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি জাতীয় চিত্রশালার মিলনায়তন নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হয়।

১.১.১. চারুাকলার সার্বিক উৎসাহ, উন্নয়ন, প্রসার ও বিকাশ।
১.১.২. যথাযথভাবে চারুকলার জন্য ক্ষেত্র প্রস্তুতকরণ।
১.১.৩. জাতীয় চিত্রশালা মিলনায়তন নির্মাণের মাধ্যমে চারুশিল্পীদের জন্য বস্তুগত সুযোগ সুবিধা নিশ্চিতকরণ।
১.১.৪. বিভিন্ন চারুশিল্পী সংগঠন ও চারুশিল্পীদেরকে চারুকলা বিষয়ক অধিকতর উৎসাহ প্রদান।
১.১.৫. চারুশিল্পকে ক্রমান্বয়ে জীবিকাশ্রয়ী পেশা হিসাবে প্রতিষ্ঠাকরণসহ বাংলাদেশের চারুশিল্পকে আর্ন্তজাতিক মানে উন্নীতকরণ।
১.১.৬. বিশ্ববিদ্যালয়সহ সরকারী-বেসরকারী পর্যায়ের চারুকলার ছাত্র-ছাত্রীদের লব্ধ জ্ঞান, অভিজ্ঞতা প্রয়োগের সুযোগ প্রদান।
১.১.৭. দেশের সকল চারুশিল্পী এবং তাঁদের শিল্পকর্মের জন্য জাতীয় পর্যায়ে শিল্প বিষয়ক পারস্পরিক মতামত বিনিময়সহ একটি মিলনকেন্দ্র গড়ে তোলা।
১.১.৮. দেশের চারুশিল্পী সংগঠন এবং চারুশিল্পীদের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন বাস্তবায়নের মাধ্যমে চারুশিল্পের সার্বিক উৎকর্ষসাধন।
১.১.৯. আধুনিক সুযোগ সুবিধা সম্বলিত একটি জাতীয় চিত্রশালা নির্মাণের মাধ্যমে শিল্পীদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ।

১. নীতিমালা:

১.১. বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি চারুকলা ভবনের মিলনায়তন বলতে উক্ত ভবনের ৩য় তলায় অবস্থিত ৩০০ আসন বিশিষ্ট (শীততপ নিয়ন্ত্রিত) হলরুম বুঝাবে।
১.২. মিলনায়তনটি চারুকলা, ফটোগ্রাফী, আবৃত্তি, চলচ্চিত্র, চলচ্চিত্র বিষয়ক সেমিনার, সিম্পোজিয়াম, কর্মশালা এবং এতদসংক্রান্ত অনুষ্ঠান করার জন্য ব্যবহার করা যাবে।
১.৩. মিলনায়তন ব্যবহারের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি নিজস্ব অনুষ্ঠান করার জন্য অগ্রাধিকার থাকবে

২. সুবিধাসমূহ:

২.১. আলোচনার টেবিল
২.২. চেয়ার (মঞ্চে অতিথিদের আসন গ্রহণের জন্য)
২.৩. আলোক ও শব্দ ব্যবস্থা
২.৪. মাইক্রোফোন
২.৫. আসন ব্যবস্থা
২.৬. রোস্ট্রাম (বক্তৃতার জন্য)
২.৭. একাডেমি কর্তৃক নিয়োজিত প্রয়োজনীয় জনবল।
২.৮. মিলনায়তনের দর্শক লাউঞ্জ।
২.৯. ব্যাক স্টেজ স্পেস।
২.১০. কেন্দ্রীয়ভাবে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা।

৩. জাতীয় ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এবং আদর্শের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ সংগঠন মিলনায়তন ব্যবহারের সুযোগ পাবে।
৪. মিলনায়তন প্রতিদিন ২ শিফ্ট হিসেবে বরাদ্দ দেয়া হবে। ১ম শিফ্টের সময়কাল সকাল ৯.০০টা হতে বেলা ২.০০টা এবং ২য় শিফ্টের সময়কাল বিকেল ৩.০০টা হতে রাত ০৯.০০টা পর্যন্ত।
৫. রেয়াতিহারে ভাড়ার হার (আলোক, শব্দ ও শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাসহ) -৫,০০০/- (পাঁচ হাজার) টাকা-প্রতি শিফ্ট
সরকারী নিয়মানুযায়ী ১৫% ভ্যাট বাবদ - ৭৫০/- (সাতশত পঞ্চাশ) টাকা
জামানত (ফেরৎযোগ্য) বাবদ - ২,০০০/- (দুই হাজার) টাকা
সর্বমোট - ৭,৭৫০/- (সাত হাজার সাতশত পঞ্চাশ) টাকা
৬. সাধারণ ভাড়ার হার (আলোক, শব্দ ও শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাসহ) ১০,০০০/- (দশ হাজার) টাকা-প্রতি শিফ্ট
সরকারী নিয়মানুযায়ী ১৫% ভ্যাট বাবদ - ১,৫০০/- (এক হাজার পাঁচশত) টাকা
জামানত (ফেরৎযোগ্য) বাবদ - ৩,০০০/- (তিন হাজার) টাকা
সর্বমোট - ১৪,৫০০/- (চৌদ্দ হাজার পাঁচশত) টাকা

৭. প্রাথমিকভাবে বরাদ্দ অনুমোদন হলে পত্র প্রাপ্তির ৩ কার্য দিবসের মধ্যে ভাড়ার অর্থ নগদে অথবা পে-অর্ডারের মাধ্যমে একাডেমি হিসাব শাখায় জমা দিয়ে চারুকলা বিভাগ থেকে চূড়ান্ত বরাদ্দ পত্র সংগ্রহ করতে হবে। নির্ধারিত তারিখের মধ্যে ভাড়ার সমূদয় অর্থ জমা দিতে ব্যর্থ হলে বরাদ্দ বাতিল বলে গণ্য হবে।
৮. ভাড়ার সাথে প্রদত্ত জামানত ফেরতের জন্য একাডেমি সচিব বরাবর আবেদন করতে হবে। উক্ত আবেদনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সুপারিশের ভিত্তিতে হিসাব বিভাগ সরাসরি জামানতের অর্থ চেকের মাধ্যমে ফেরৎ প্রদান করবে।
৯. জামানতের অর্থ ফেরৎ প্রদানের আবেদনে মিলনায়তন বরাদ্দের আবেদনকারীর স্বাক্ষর যাচাইপূর্বক সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সুপারিশ করবেন।
১০. মিলনায়তন বরাদ্দের সাথে জামানতের অর্থ অনুষ্ঠান শেষে ফেরৎ না নিলে পরবর্তীকালে মিলনায়তন বুকিং নেয়ার সময় জামানতের অর্থ জমা দিতে হবে না।
১১. সরকারি/রাষ্ট্রীয় বা একাডেমি বিশেষ প্রয়োজনে বরাদ্দ বাতিল করার ক্ষমতা একাডেমি কর্তৃপক্ষ সংরক্ষণ করে। সে ক্ষেত্রে ভাড়ার সমূদয় অর্থ একাডেমি ফেরৎ প্রদান করবে। এ কারণে একাডেমি কোন কৈফিয়ত বা ক্ষতিপূরণ দিতে বাধ্য থাকবে না।
১২. লভ্য সুবিধাদির মধ্যে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ, শব্দ ও আলোক ব্যবস্থাসহ যাবতীয় কারিগরি ব্যবস্থা, মিলনায়তন ব্যবহারকারী সংগঠনের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তির চাহিদানুসারে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি চারুকলা ভবনের মিলনায়তনের কারিগরী জনবলের তত্ত্বাবধানে নিয়ন্ত্রিত ও পরিচালিত হবে।
১৩. বরাদ্দপত্রে উল্লিখিত সময়সীমা মোতাবেক মিলনায়তন ব্যবহারকারী প্রতিষ্ঠান, মিলনায়তন ব্যবহার করতে পারবে। এর অতিরিক্ত সময় ব্যবহার করলে জামানতের সম্পূর্ণ অর্থ বাজেয়াপ্ত হবে।
১৪. মিলনায়তন ব্যবহারকারী সংগঠনের আবেদনকারীকে অনুষ্ঠান সমাপ্তির পর মিলনায়তন ব্যবহারের শেষ সময়কাল উল্লেখপূর্বক রেজিস্টারে স্বাক্ষর করতে হবে।
১৫. মিলনায়তনের লবি ও অভ্যন্তরে কোন রকম খাবার নিয়ে প্রবেশ, ধূমপান ও মাদকদ্রব্য সেবন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
১৬. মিলনায়তন ব্যবহারকালে মিলনায়তনের বা একাডেমি কোন কিছু বা কোন অংশের ক্ষতিসাধিত হলে একাডেমি কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মিলনায়তন ব্যবহারকারী সংগঠন ক্ষতিপূরণ প্রদানে বাধ্য থাকবে।
১৭. আবেদনপত্রে প্রদত্ত তথ্য মোতাবেক মিলনায়তন বরাদ্দপ্রাপ্ত সংগঠন সাংস্কৃতিক কর্মকান্ড পরিচালিত করবে। আবেদনপত্রে উল্লেখ করা হয়নি এমন কোন অনুষ্ঠান মঞ্চায়ন করা যাবেনা। প্রদত্ত তথ্যের বাইরে কোন অনুষ্ঠান করা হলে অথবা এক সংগঠনের নামে বরাদ্দ নিয়ে অন্য সংগঠনের অনুষ্ঠান করা হলে একাডেমি কর্তৃপক্ষ তাৎক্ষণিকভাবে সে বরাদ্দ বাতিল এবং তথ্য গোপনের জন্য সে সংগঠন ও সংগঠকের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবে।
১৮. কোন সংগঠন নির্ধারিত তারিখে তাদের অনুষ্ঠান করতে না পারলে ৭ (সাত) দিন পূর্বে লিখিতভাবে চারুকলা বিভাগের মাধ্যমে মহাপরিচালককে অবহিত করলে, সে ক্ষেত্রে ভাড়ার ৭৫% শতাংশ এবং জামানতের অর্থ একাডেমি ফেরৎ প্রদান করবে। যথাসময়ে অবহিত করতে ব্যর্থ হলে শুধু মাত্র জামানত ব্যতীত সকল অর্থ বাজেয়াপ্ত করা হবে।
১৯. অনুষ্ঠানের সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা আয়োজক প্রতিষ্ঠান নিশ্চিত করবে।
২০. একাডেমি নিয়ন্ত্রণ বহির্ভূত কারণে বিদ্যুৎ বিভ্রাট বা আলোক ও শব্দ প্রক্ষেপণ ব্যবস্থার কোন ক্রটি দেখা দিলে একাডেমি কর্তৃপক্ষ দায়ী থাকবে না।
২১. কোন অনুষ্ঠানের প্রয়োজনীয় সেট বা প্রপ্স মিলনায়তন অভ্যন্তরে নির্মাণ করা যাবে না।
২২. ভাড়া গ্রহণকারী সংগঠনের অনুষ্ঠানের প্রয়োজনীয় নিজস্ব সেট, প্রপ্স বা কস্টিউম ও অন্যান্য জিনিসপত্র অনুষ্ঠান শেষে নিয়ে যাবার সময় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের গেইট পাশের প্রয়োজন হবে।

২৩. আবেদনের নিয়মাবলী:

২৩.১. মিলনায়তন বরাদ্দ পাবার জন্য পূর্ববর্তী মাসের ১২ তারিখের মধ্যে চারুকলা বিভাগ থেকে নির্ধারিত আবেদন ফরম সংগ্রহ ও পূরণ করে জমা দিতে হবে। চলতি মাসের ১৫ তারিখের মধ্যে একাডেমি কর্তৃপক্ষ আবেদনসমূহ বাছাইপূর্বক সর্বোচ্চ ২০ দিন প্রতিষ্ঠান/সংগঠনসমূহের অনুকূলে বরাদ্দ প্রদানের জন্য প্রাথমিকভাবে নির্বাচন করবেন।
২৩.২. প্রাথমিকভাবে বরাদ্দ পাওয়া প্রতিষ্ঠান/সংগঠনসমূহের বরাদ্দ সংক্রান্ত পরবর্তী আনুষ্ঠানিকতা (প্রাথমিক ও চূড়ান্ত বরাদ্দপত্র) চারুকলা বিভাগ চলতি মাসের ২০ তারিখের মধ্যে সম্পন্ন করবে।
২৩.৩. কোন সংগঠনের উৎসবের প্রয়োজনে মিলনায়তন একাধারে সর্বোচ্চ ৩ (তিন) দিন দেয়া যেতে পারে।
২৩.৪. অপেক্ষমান তালিকায় রাখা সংগঠনসমূহকে পরবর্তী মাসে অগ্রাধিকার দেয়া যেতে পারে।

২৪. জাতীয়ভাবে গুরুত্বপূর্ণ এমন বিশেষ ক্ষেত্রে একাডেমি মহাপরিচালক রেয়াতিহারে মিলনায়তন ব্যবহারের অনুমতি দিতে পারবেন।
২৫. এ নীতিমালায় বিধৃত হয়নি, অথচ তা প্রয়োজন, এমন কিছু পরে উদ্ঘাটিত হলে একাডেমি পরিষদের অনুমোদনক্রমে তা এ নীতিমালায় সংযোজন করা যাবে।<
২৬. মিলনায়তন বরাদ্দের আবেদন মঞ্জুর করা বা না করা এবং কোন কারণ দর্শানো ছাড়া যে কোন সময় প্রদত্ত অনুমতি বাতিল করার সম্পূর্ণ ক্ষমতা একাডেমি কর্তৃপক্ষ সংরক্ষণ করবে।

হল বুকিং

প্রার্থীত মঞ্চায়ন তারিখঃ

হল ব্যবহারের সময়ঃ
[ সংশ্লিষ্ট ঘরে টিক চিহ্ন দিতে হবে]