মহড়াকক্ষ বরাদ্দের নীতিমালা

(প্রশিক্ষণ ভবন/জাতীয় সঙ্গীত ও নৃত্যকলা কেন্দ্র)

১. একাডেমি নিজস্ব অনুষ্ঠানাদি এবং সঙ্গীত, নৃত্য, আবৃত্তি ও নাটক চর্চাকারী সংগঠনগুলোকে মহড়া করার জন্য প্রশিক্ষণ ভবন এবং সঙ্গীত ও নৃত্যকলা মিলনায়তনে অবস্থিত মহড়াকক্ষ বরাদ্দ দেয়া যাবে।
২. বহুমুখী সংস্কৃতিচর্চার বিভিন্ন প্রশিক্ষণমূলক কার্যক্রমের জন্য মহড়াকক্ষ সর্বোচ্চ ৭ দিন (১৪ শিফ্ট) পর্যন্ত বরাদ্দ দেয়া যাবে।
৩. মহড়াকক্ষে অতিরিক্ত আলোক ও শব্দ যন্ত্র ব্যবহার করা যাবে না।
৪. মহড়াকক্ষ বরাদ্দ পাবার জন্য ন্যূনতম ১৫ দিন পূর্বে একাডেমি থেকে নির্ধারিত ফরম সংগ্রহ ও পূরণ করে মহাপরিচালক বরাবর জমা দিতে হবে।
৫. মহড়াকক্ষ প্রতিদিন ২ শিফ্ট হিসেবে ব্যবহার করা যাবে। প্রতি শিফ্ট ব্যবহারের সময়কাল প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বেলা ২টা এবং বিকেল ৫টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত।
৬. মহড়াকক্ষ ভাড়ার তালিকা :
৬.১. ভাড়ার হার সকালের শিফ্ট ৫০০/- টাকা
৬.২. বিকালের শিফ্ট ৬০০/- টাকা
সর্বক্ষেত্রে ভাড়ার অর্থের সাথে সরকারি নিয়মানুযায়ী ভ্যাট প্রযোজ্য।
৬.৩. ৫০০/- টাকা জামানত (ফেরৎযোগ্য)
৭. প্রাথমিকভাবে বরাদ্দ অনুমোদন হলে পত্র প্রাপ্তির ৩ (তিন) কার্যদিবসের মধ্যে ভাড়ার অর্থ নগদে অথবা পে-অর্ডারের মাধ্যমে একাডেমি হিসাব শাখায় জমা দিয়ে মিলনায়তন ও মঞ্চ ব্যবস্থাপনা শাখা থেকে চূড়ান্ত বরাদ্দপত্র সংগ্রহ করতে হবে। নির্ধারিত তারিখের মধ্যে ভাড়ার অর্থ জমা দিতে ব্যর্থ হলে বরাদ্দ বাতিল বলে গণ্য হবে।
৮. অনিবার্য কারণবশতঃ কোন সংগঠন নির্ধারিত তারিখে তাদের মহড়া করতে না পারলে ৩ দিন পূর্বে মিলনায়তন ও মঞ্চ ব্যবস্থাপনা শাখার মাধ্যমে লিখিত আবেদনে মহাপরিচালককে অবহিত করতে হবে। সে ক্ষেত্রে ভাড়ার ৮০ শতাংশ একাডেমি ফেরৎ প্রদান করবে। যথা সময়ে অবহিত করতে ব্যর্থ হলে শুধুমাত্র জামানত ব্যতীত সকল অর্থ বাজেয়াপ্ত করা হবে।
৯. মহড়া কক্ষে কোন প্রকার খাবার নিয়ে প্রবেশ, পরিবেশন ও ধূমপান সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ।
১০. মহড়া কক্ষ ব্যবহারকালে এর সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা আয়োজক প্রতিষ্ঠান কর্তৃক নিশ্চিত করতে হবে।
১১. মহড়াকক্ষ বরাদ্দের বিষয়ে একাডেমি মহাপরিচালক চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দিবেন।
১২. এ নীতিমালায় বিধৃত হয়নি, অথচ তা প্রয়োজন, এমন কিছূ পরে উদ্ঘাটিত হলে একাডেমি পরিষদের অনুমোদনক্রমে তা এ নীতিমালায় সংযোজন করা যাবে।
১৩. একাডেমি অথবা রাষ্ট্রীয় প্রয়োজনে যে কোন সময় বরাদ্দ বাতিল করার ক্ষমতা একাডেমি কর্তৃপক্ষ সংরক্ষণ করে। সে ক্ষেত্রে আয়োজক প্রতিষ্ঠান জমাকৃত সকল অর্থ ফেরৎ পাবেন।
১৪. মহড়াকক্ষ ভাড়া গ্রহণকারীর এখতিয়ার বহির্ভূত কোন দৈব দূর্বিপাক, রাজনৈতিক বা সামাজিক অচলাবস্থা ইত্যাদি কারণে নির্ধারিত দিন ও সময়ে অনুষ্ঠান/ মহড়া শুরু করা সম্ভব না হলে ভাড়া গ্রহীতা শিল্পী/ শিল্পীগোষ্ঠী/ প্রতিষ্ঠান পরবর্তী দিন অথবা মহড়াকক্ষ খালি থাকা সাপেক্ষে পরবর্তী অন্য কোন দিন অনুষ্ঠান/মহড়া শুরু করতে পারবে। তবে যদি বরাদ্দকৃত সময়ের পর মহড়াকক্ষ খালি না থাকে তাহলে অনুষ্ঠান/ মহড়া আয়োজনের সময়কাল সংক্ষিপ্ত করতে হবে। সেক্ষেত্রে যে কয়দিন মহড়াকক্ষ ব্যবহৃত হবে না, সে কয়দিনের ভাড়া ফেরত প্রদান করা হবে।